মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, গাজীপুর:
গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি সেলুন থেকে আবু সাঈদ নামের এক পোশাকশ্রমিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অভিযোগ ওই সেলুনের নরসুন্দর মো.খলিল মিয়া (২৬) হত্যার পর ওই শ্রমিককে দোকানে রেখেই পালিয়ে যান। পুলিশের ধারণা, পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকার মেঘনা গেট সংলগ্ন জেন্টস পার্লার নামের দোতলা সেলুনে গতকাল বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পোশাকশ্রমিক আবু সাঈদ নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার আলমপুর গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার মাওনা উত্তরপাড়া গ্রামের বাবুল সরকারের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এবং স্থানীয় মেঘনা গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকের কাজ করতেন।
অভিযুক্ত নরসুন্দর মো. খলিল মিয়া সিলেটের সদর উপজেলার মসজিদ কলোনি গোটাটিকর গ্রামের মৃত. আব্দুল মজিদ মিয়ার ছেলে। তিনি মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার আবু হানিফের দোতলা দোকান ভাড়া নিয়ে ‘জেন্টস পার্লার’ সেলুনটি পরিচালনা করেন। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে পাশের ইব্রাহিমের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
স্থানীয়রা জানান, রাতে রাস্তার পাশে দোতলা সেলুন থেকে ধস্তাধস্তির শব্দ হয়। এর কিছুক্ষণ পর অভিযুক্ত নরসুন্দর রক্তাক্ত জামাকাপড় নিয়ে দ্রুত চলে যেতে দেখেন এলাকাবাসী। পরে তাঁদের সন্দেহ হলে সেলুনে গিয়ে আবু সাঈদের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মন্ডল বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোতলা থেকে নিহত আবু সাঈদের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আবু সাঈদ ও নরসুন্দর খলিল একে অপরের পূর্ব পরিচিত। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’