রবিবার , ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রুগী হয়রানি করার অভিযোগ 

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মোঃ কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি:

যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডা. মরিয়ম মুনমুনের বিরুদ্ধে টেষ্ট বানিজ্য সহ রোগীদের সাথে দূর্ব্যবহারসহ হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, গাইনী ডা. মরিয়ম মুনমুন কমিশন বানিজ্য করার জন্য, নওয়াপাড়া এবি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে চুক্তি করে কমিশন বানিজ্য করে রয়েছে বহালতবিয়তে। ফলে তার কাছে রোগীরা সেবা নিতে গেলে গাদাগাদা টেস্টের ব্যবস্থাপত্র ধরিয়ে দেন। এর জন্য তার নিয়োজিত রয়েছে দালাল সিন্ডিকেট যাদের মাধ্যমে রোগীদের ধরে এবি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে করা হয় গলাকাটা বানিজ্য। যে কারনে প্রতিনিয়ত সাধারণ অসহায় রোগী ও রোগীর স্বজনেরা ডা. মরিয়ম মুনমুনের কাছে হচ্ছে প্রতারণার শিকার। এমনই একজন পায়রা বারান্দি গ্রামের বৃষ্টি আক্তার গাইনী ডা. মরিয়ম মুনমুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে জানান, সোমবার ২৪ ফেব্রুয়ারী সকালে ডা. মরিয়ম মুনমুনের কাছে চিকিৎসা নিতে গেলে তিনি টেষ্ট করার জন্য কাগজ ধরিয়ে বলেন, এবি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে টেস্ট গুলো করে আনতে কিন্তু আমি এবি ডায়াগনস্টিক সেন্টার টাকা বেশি চায় বলে ইউনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্ট গুলো করে নিয়ে ডা. মরিয়ম মুনমুন আপাকে দেখালে তিনি টেস্টের রিপোর্ট গুলো ছুড়ে ফেলে দিয়ে আমাকে গালাগাল করে তার চেম্বার থেকে বের করে দেন। আমি নিরুপায় হয়ে তার চেম্বারের সামনে বসে থাকি শুধু  আমি নয় আমার মতো ৪/৫ জনের সাথে তিনি এমন ব্যবহার করে। বেলা ৪ টা পযন্ত বসে থাকলেও তিনি আমাকে চিকিৎসা সেবা দেয়নি। আমি আজ মঙ্গলবার আবার অন্য এক ডাক্তার দেখিয়ে তাই ঔষধ নিয়ে বাড়ি আসছি। চিকিৎসা সেবা ডাক্তার কেন দেয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন ওই ইউনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে টেস্ট করিয়ে রিপোর্ট এনেছি বলে আমিসহ ৪/৫ জনকে তিনি চিকিৎসা করেননি। জরুরি ভাবে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত গাইনী ডাক্তার মরিয়ম মুনমুনের কর্মকান্ডসহ টেষ্ট বানিজ্যের অভিযোগ তদন্ত করে কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল। অভিযোগের বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী ডা. মরিয়ম মুনমুনের কাছে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে ও রোগীদের সাথে এমন করার কারণ জানতে চায়লে তিনি সাংবাদিকদের পরিচয় জানাসহ বিভিন্ন হুমকি দিতে থাকেন। অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোন কথা বলতে রাজি নয় বলে জানান। এবিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিমুর রাজিব বলেন,  আমি এটা যেনেছি আমি যশোর অফিসে আজ মিটিংয়ে আছি আগামী কাল ওই বিষয়টি অফিসিয়াল ভাবে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।