• বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের পক্ষ থেকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – আনোয়ার সরকার গাজীপুর ইউনিয়ন বাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন – চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আমিনুল ইসলাম গাজীপুর ইউনিয়ন এর সর্বস্তরের জনগণকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – এনামুল হক মনি গাজীপুর ইউনিয়নবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসেল আহমেদ ঠাকুরগাঁওয়ের রহস্যময় ৭০ হাত লম্বা করব নিয়ে রহস্য!  শার্শায় পিআইওকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক, মানববন্ধন-ষড়যন্ত্রে উত্তপ্ত পরিস্থিতি গোদাগাড়ীতে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘সেলার বিডি’র জমকালো উদ্বোধন ভূল্লী থানার ওসির কড়া হুঁশিয়ারি: হয় মাদক ব্যবসায়ী থাকবে,নয় আমরা থাকবো বগুড়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় শিল্পপতি শিরু কারাগারে গোদাগাড়ীতে ১২ কেজি গান পাউডার ও কাঁচের গুঁড়া উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫

লোহাগড়ায় বকুল আলী ও তার পরিবারের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

Reporter Name / ২২৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০২৪ / ই-পিন্ট / ইপেপার ই-পিন্ট / ইপেপার

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের করফা গ্রামের সৈয়দ বকুল আলী ও তার পরিবারের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) করফা গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- মল্লিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ হিশাম উদ্দিন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ শাহিনুজ্জামান, ভুক্তভোগী সৈয়দ বকুল আলী, তার মা ফুলজান বেগম, ভাবী নাজনীন বেগম, মিনা বেগম, এলাকাবাসী সৈয়দ ফেরদাউস, মুক্তার আলী, এরদাউস আলী, মোহাম্মদ আনজাল গাজী, সৈয়দ রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ সিরি গাজী, সৈয়দ আকবর হোসেন, নিরু বেগম, তৃপ্তি আলম, পালন বেগম, মিলন বেগম, ফেরদৌসী বেগম, শেখ মুস্তাফিজুর রহমানসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, সৈয়দ বকুল আলী পাশের ইতনা গ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌস সাদিয়াকে প্রায় আড়াই বছর আগে বিয়ে করেন। বিয়ের কয়েক মাস পর সাদিয়ার পরকীয়া প্রেম ধরা পড়ায় স্বামী বকুল আলীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে মল্লিকপুর ও ইতনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান- মেম্বারদের উপস্থিতিতে দুইপক্ষের মধ্যে একাধিকবার সালিস বৈঠক হলেও কোনো কাজ হয়নি। স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় স্বামী বকুল আলী, তার মা, বোন ও ভাবীর নামে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা নারী নির্যাতন এবং যৌতুক মামলা দিয়েছে। এ মামলায় বকুল আলী একমাস হাজতও খেটেছেন। বকুল আলীর পরিবার নিরিহ প্রকৃতির। তাদের বিরুদ্ধে গ্রাম্য কোনো দ্ব›দ্ব ও মামলা নেই। অথচ ষড়যন্ত্রমূলক যৌতুক মামলার কারণে পরিবারে ভোগান্তি বেড়েছে। বকুল দীর্ঘদিন জাহাজে চাকরি করেছে। স্ত্রীর মামলার কারণে একমাস কারাগারে থাকায় তার চাকরিটাও চলে গেছে। এ কারণে বকুল ও তার পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ভুক্তভোগী সৈয়দ বকুল আলী বলেন, বিয়ের পর জানতে পারি আমার স্ত্রী সঙ্গে তার চাচাতো ভাইয়ের পরকীয়া রয়েছে। আমাদের পরিবারের মান-সম্মানের ভয়ে সবকিছু মেনে নিলেও সাদিয়া আমাকে কোনো ভাবে মেনে নিতে পারেনি। সে পরকীয়া ও টিকটকে সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকে। আমি জাহাজে চাকরিতে গেলে সে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। তার মোবাইল ফোনে অনৈতিক সম্পর্কের ছবি ও ভিডিও দেখে ফেলায় উল্টো আমাকে শাসিয়ে দেয়। প্রায় সাত মাস আগে আমার স্ত্রী স্বর্ণালংকার, পোশাকসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যায়। এ সময় আমরা ভিডিও করেছি। অথচ আমার নামে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দিয়েছে। আমার স্ত্রী নিজের শরীর ক্ষতবিক্ষত করে পুলিশ ও আদালতে ডাক্তারি রিপোর্ট দাখিল করে আমাদের পরিবারের ওপর দোষ চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ডাক্তারি রিপোর্টে স্ত্রীর শরীরে যে ক্ষত চিহৃ উঠে এসেছে, তা ‘ডিএনএ বা ফরেনসিক’ পরীক্ষার মাধ্যমে তদন্ত করলে কে বা কারা তাকে কামড়িয়ে ক্ষত করেছে, তা উঠে আসবে। এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে জানতে বকুলের স্ত্রী সাদিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন। এরপর কয়েকবার ফোন দেয়া হলেও কোনো সাড়া দেননি। এরপর সাদিয়ার বাবার বাড়ি ইতনা গ্রামে গেলে ঘর থেকে বের হয়নি। এ সময় সাদিয়া ও তার দুই চাচী সাংবাদিকদের উল্টোপাল্টা কথা বলেন। সাদিয়ার মা-বাবা বাড়িতে নেই বলেও দাবি করেন তারা।

সাদিয়ার শরীরে ক্ষতচিহেৃর বিষয়ে জানতে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কৃষ্ণপদ বিশ্বাস বলেন, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর সাদিয়া নামে এক গৃহবধূ হাসপাতালে আসেন। এরপর সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাদিয়ার শরীরে কামড়ানোর ক্ষতচিহৃ দেখা যায়। তবে কে বা কারা কামড়িয়ে তাকে ক্ষত করেছে, সেটা বের করতে ডিএনএ বা ফরেনসিকসহ সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার প্রয়োজন।

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার এসআই বাবুল বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা বকুলদের বাড়িতে যাই। পুলিশের উপস্থিতিতে শ্বশুর বাড়ি থেকে সাদিয়াকে বাবার বাড়ি ইতনা গ্রামে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তার শরীরে কোনো ক্ষত বা আঘাতের চিহ্ন ছিল না। নির্যাতনের কোনো কথা তিনি আমাদের জানাননি


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা